হাওজা নিউজ এজেন্সি: হযরত আলী ইবন আবি তালিব (আ.) যুদ্ধকালীন আচরণ সম্পর্কে বলেন—
فَإِذَا کَانَتِ الْهَزِیمَةُ بِإِذْنِ اللَّهِ فَلَا تَقْتُلُوا مُدْبِراً، وَلَا تُصِیبُوا مُعْوِراً، وَلَا تُجْهِزُوا عَلَی جَرِیحٍ، وَلَا تُهِیجُوا النِّسَاءَ بِأَذًی، وَإِنْ شَتَمْنَ أَعْرَاضَکُمْ وَسَبَبْنَ أُمَرَاءَکُمْ.
যখন আল্লাহর ইচ্ছায় শত্রু পরাজিত হবে, তখন পলায়নরত ব্যক্তিকে হত্যা করো না; যুদ্ধ করতে অক্ষম কাউকে আঘাত করো না; আহত ব্যক্তির জীবন শেষ করে দিও না; এবং নারীদের কোনো প্রকার কষ্ট বা নির্যাতন করো না—যদিও তারা তোমাদের গালমন্দ করে কিংবা তোমাদের নেতাদের সম্পর্কে কটূক্তি করে।
[নাহজুল বালাগাহ, পত্র ১৪]
এই নির্দেশনা ইসলামের যুদ্ধনীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এখানে বিজয়ের উন্মাদনায় প্রতিশোধপরায়ণতা নয়, বরং আত্মসংযম, ন্যায়পরায়ণতা ও মানবিক মর্যাদা রক্ষার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। শত্রুও যখন যুদ্ধক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, তখন তার জীবন, সম্মান ও মৌলিক অধিকার রক্ষা করাই ইসলামের আদর্শ। নিরপরাধ মানুষ, বিশেষত নারী ও অসহায়দের প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন ইসলামের অবিচ্ছেদ্য নৈতিক শিক্ষা।
আপনার কমেন্ট